নিজস্ব প্রতিবেদক
আজ ৩ দলের সঙ্গে বসছেন প্রধান উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আজ (রোববার) বৈঠকে বসছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দলগুলো হলো- বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিতব্য গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
এর আগে শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি নুরকে ফোন করেন এবং তার শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত জানেন।
ফোনালাপে প্রধান উপদেষ্টাকে শুক্রবারের ঘটনার বিস্তারিত জানান নুর। এসময় ড. ইউনূস তদন্ত করে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তাকে।
এর আগে গত শুক্রবার রাতে নুরকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
একই দিন সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টি (জাপা) ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। জাপার কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।
পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এর মধ্যে নুরের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢামেকের আইসিইউ রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানেও তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।
ঢামেকের চিকিৎসকরা জানান, নুরের মাথায় আঘাত রয়েছে। এছাড়া নাক ও চোয়ালের হাড় ভেঙে গেছে। এই হামলার পরে জাপা নিষিদ্ধের দাবি তুলেছে গণঅধিকারসহ কয়েকটি দল। হামলায় জড়িতদের বিচারও চাওয়া হয়েছে।
আল্লাহ ছাড়া কেউ এ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না: সালাহউদ্দিন
নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনার মঞ্চে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, “নির্ধারিত সময়েই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আল্লাহ ছাড়া এ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না কেউ।” তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চললেও আগামী রমজানের আগেই ভোট সম্পন্ন হবে। দেশের জনগণ অতন্দ্র পাহারাদার হিসেবে নির্বাচন রক্ষা করবে।”
৩০ আগষ্ট (শনিবার) দুপুরে নেত্রকোনা শহরের মোক্তারপাড়া মাঠে জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দীর্ঘ ১১ বছর পর অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে জেলার ১০ উপজেলা ও ৫ পৌরসভার ১৫ ইউনিটের মোট ১,৫১৫ জন কাউন্সিলর অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সভাপতি পদে দুইজন এবং সম্পাদক পদে তিনজন প্রার্থীর মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য সৈয়দ আলমগীর, জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরীফুল আলম, আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দ।
সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে, যা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।